কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মালী পদে চাকুরীর লোভ দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করলেন, নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক – মোঃ রুহুল আমীন।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক করলেন চাকুরী নামে দিনমজুরের অর্থ আত্মসাৎ….

নিজস্ব প্রতিবেদন :-

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ‘মোঃ রুহুল আমীন’এর বিরুদ্ধে ২ লক্ষ ৯০ হাজার নগদ টাকা চাকুরীর দেয়ার লোভ দেখিয়ে আত্মসাৎ এর অভিযোগ করলেন অসহায় এক দিনমজুর। অভিযোগকারীর সাথে কথা বলে জানা যায়,নাম-মোতালেব, গ্রাম-ধুরধুরিয়া,থানা- ফুলবাড়িয়া,জেলা-ময়মনসিংহ। তিনি নজরুল বিশ্বঃ দোঁলন চাপা হলের পাশে, একটি মালিকানা ছাত্রী মেছের নৈশ্য প্রহরী, পাশাপাশি বিভিন্ন বাসায় দুধ ফেরি করে সুযোগ পেলে দিনমুজুরে কাজ করেই পরিবারের খচর বহন করেন। শিক্ষক রুহুল আমিন সাহেবের সাথে কিভাবে চাকুরী ফাঁদে টাকা দেয়… -জানতে চাইলে তিনি বলেন – স্যারের বাসায় নিয়মিত দুধ দিতাম আর মাঝে মধ্যে ছোট -খাটো কাজের ফরমাইশ করতাম এভাবেই বিভিন্ন সময়, নিজের দুঃখ কষ্টের কথা স্যারের সাথে বলতাম। এক সময় স্যার আমাকে বলেন মালী পদে চাকুরীর জন্য আবেদন করতে, কথামত আমিও পরিবারের কথা ভেবে স্যারের নির্দেশনায় বিশ্বঃ আবেদন করি, কিছু দিন পরে স্যার একদিন বলেন, ‘এই বেটা এমনি এমনি কি চাকুরী হয়ে যাবে নাকি?’তখন আমি জানতে চাই কিভাবে পাবো, কি করতে হবে, আমাকে একটু বুঝিয়ে দেন,আর আমার একটা ব্যবস্থা করেদেন স্যার। তখন স্যার বলেন ” চাকুরী এমনি হবে না টাকা লাগবে”,। তারপর টাকা বেপারে কথাবার্তা ফাইনাল করি, আর আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্যার রেখে দিয়ে বললেন,’তাড়াতাড়ি টাকা ব্যবস্থা করেন না হলে সুযোগ থাকবে না। পরে আমি অল্প কইদিনেই ঝন-দার এবং জমি বিক্রি করে প্রথম ২/৪/১৭ তারিখে ২ লক্ষ টাকা দেই,কয়েক মাস হয়ে গেলেও চাকুরীর কোন কথায় বলেন না স্যার, আর উনার কাছে জানতে চাইলে প্রায় ধমক দিতেন,বলতেন আমি কি তোমার টাকা মেরে দিছি? চাকুরী তো হবেই,তুমি এইসব কি বুঝবে নাকি,?এমনি যাচ্ছিলো দিনগুলো, এরি মধ্যে স্যার আমাকে বললেন তুমি যদি আরো ১ লক্ষ টাকা দিতে পারো তাহলে নিশ্চিত করে দেয়া যাবে। কয়েক দিন গেলে তিনি আরো চাপ প্রয়োগ দিয়ে বলেন ‘অর্ধেক কাজে নেমে এখন এমন করলে চাকুরী পাবা না আগের টাকা গুলোও ফেরত পাওয়া যাবে না,।তখন বহু কষ্ট করে আবারো ২/৩ দিনে ৯০ হাজর ব্যবস্থা করে স্যারকে দিলাম ৬/১০/১৭ তারিখে। তারপর থেকেই দিনে দিনে স্যার আমার সাথে আচরন পরিবর্তন আরম্ভ করতে থাকেন, বহুদিন হয়ে যাওয়ার পরও যখন চাকুরীর কোন নাম-গন্ধ পাওয়া যাইনি, তখন টকা ফেরত চাই, প্রথম কয়েকদিন বিভিন্ন লোকজনের দুহাই দিয়ে বলতেন ‘টাকা তো উনাদের কাছে বললেই তো পাওয়া যাবে না, আমার পকেট থেকে তো আর তোমার টাকা ভরবো না, । তার কয়েকদিন যেতে নাযেতেই তিনি কড়া ভাষায় ধমক দিতেন, গালিগালাজ করতেন, এক পর্যায়ে টাকার কথা অস্বীকার করতে থাকেন, গত ১৪/০৪ / ১৮ ১লা বৈশাখের দিন প্রথম গেইটে স্যারকে দেখে কাছে গেলাম সালাম দিয়ে কথা বলার অনুমতি চাইলাম তখনি স্যার চিল্লাইয়া বাজে- বকা দিয়ে বলে ‘কিসের কথা বলবি তুই, কোন কথা? যাস না কেন এখনো সামনে থেকে?. এমন ভাবে যখন বলতে বলতে গায়ে হাত তোলার অবস্থা তখন আশপাশের লোকজন আমাকে নিয়ে আসে। অভিযোগ কারী দাবি করেন তবু তিনি কাউকে এমন প্রতারনার থেকে বাচাতে বলেন নি, ১রা বৈশাখে যারা তাকে মার খাওয়া থেকে বাঁচিয়ে ছিলো, তাদের আলাপে আলাপে মেছ মালিক সহ কয়েক জন টাকা উদ্ধারে সহযোগী হয়ে, স্যারের সাথে কথা বলেন,কিন্তু স্যার তাদের খারাপ ভাষায় বকা-বাধ্য করে,এবং আশপাশে এখবর ছড়িয়ে পড়লে লোকজন ভিসি স্যারের কাছে, এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে আমাকে আবেদন দিতে পরামর্শ দেন, পরে আমি ১৭/ ৪/১৮ তারিখে ভিসি স্যার বরাবর বিচার চেয়ে আবেদন পত্র জমা দেই। আর তার পর থেকেই বিভিন্ন অপরিচিত ব্যক্তির দ্বারা মোবাইল কলে হুমকি দিচ্ছে, যাতে আমি টাকার কথা কারো কাছে স্বীকার ননা করি। তাতে এলাকা বাসী আমাকে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে থেকে মনোবল দিচ্ছে। আশপাশের দোকান গুলোতে জিজ্ঞাস করে ঘটনার সত্যতা মিলে। সব শুনে শুধু বলতে হয়।
  • কেউ ঘুস দিয়ে অপরাধ করে পেটের তাগিদে, বাঁচার আশায়!! আবার কেউ ঘুস দিতে বাধ্য করে, এবং সুযোগ ব্যবহারে ঘুস নেয়, “মদ আর নারীর “অবৈধ আনন্দের টানে!!!

Advertisements

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীর গন-সংযোগ। ময়মনসিংহ-৭

via জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীর গন-সংযোগ। ময়মনসিংহ-৭